সঞ্জয়
সরকার, নেত্রকোণার আলো : ৮ ডিসেম্বর শনিবার নেত্রকোণার উদীচী কার্যালয়ে বোমা হামলা ট্র্যাজিডির ৭ম বার্ষিকী। ২০০৫ সালের এই দিন
সকালে জেলা শহরের অজহর রোডে উদীচী কার্যালয়ের সামনে জেএমবির আত্মঘাতী জঙ্গীরা পর পর দু’টি বোমা হামলা চালায়। এতে
উদীচীর গণসঙ্গীত শিল্পী খাজা হায়দার হোসেন, নাট্যশিল্পী সুদীপ্তা পাল শেলী, মোটর গ্যারেজের শ্রমিক
যাদব দাস, গৃহিনী রাণী আক্তার, ভিক্ষুক জয়নাল আবেদীন, রিকশাচালক আপ্তাব উদ্দিন, ব্যবসায়ী রইছ মিয়া ও এক আত্মঘাতী জঙ্গী নিহত হয়।
এছাড়া আহত হন আরও অর্ধশতাধিক শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
উদীচী ছাড়াও জেলা সদরের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল সংগঠন প্রতি বছর এই দিবসটিকে ‘নেত্রকোণা ট্র্যাজিডি দিবস’ হিসাবে পালন করে আসছে। এবারও ট্র্যাজিডি দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়েছে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী। এর মধ্যে রয়ছে: সকালে উদীচী কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ, স্মৃতিসৌধে পুষ্প স্তবক অর্পণ, ‘স্তব্ধ নেত্রকোনা’ (রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাঁচ মিনিট নিরবতা পালন), প্রতিবাদী মিছিল, বিকালে শহীদ মিনারে সন্ত্রাস, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যায় প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন।
এছাড়া আহত হন আরও অর্ধশতাধিক শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
উদীচী ছাড়াও জেলা সদরের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল সংগঠন প্রতি বছর এই দিবসটিকে ‘নেত্রকোণা ট্র্যাজিডি দিবস’ হিসাবে পালন করে আসছে। এবারও ট্র্যাজিডি দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়েছে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী। এর মধ্যে রয়ছে: সকালে উদীচী কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ, স্মৃতিসৌধে পুষ্প স্তবক অর্পণ, ‘স্তব্ধ নেত্রকোনা’ (রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাঁচ মিনিট নিরবতা পালন), প্রতিবাদী মিছিল, বিকালে শহীদ মিনারে সন্ত্রাস, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যায় প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন।
পোষ্ট : বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ : ২২ মিনিট ০৭ ডিসেম্বর ১২।
No comments:
Post a Comment